আসরে মুখ্যমন্ত্রী, নিহত বাম কর্মী ম‌ইদুলের পরিবারকে দেওয়া হবে চাকরি, আর্থিক সাহায্য!



বি.বি নিউজ ওয়েবডেস্ক, Feb 15, 2021:পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুল ইসলাম মিদ্যা নামে মৃত ওই বাম কর্মীর শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। পেট ও পিঠ ভয়ংকর ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়। আঘাত লাগে কিডনিতে। বন্ধ হয়ে যায় কিডনির কাজ।

যার ফলে চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে আজ মৃত্যু হয় বাঁকুড়ার কোতুলপুরের বাসিন্দা মইদুলের। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বাম নেতৃত্ব। মানবাধিকার কমিশনে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা।

এই বিষয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “মৃত্যু নয়, এটা খুন। সরকার ইতরতার সীমা ছাড়িয়েছে। এই বাচ্চা ছেলেটাকে কীভাবে মেরেছে। সরকার ভয় পেয়েছে। তার বুকে, পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করেছে পুলিশ।চিকিৎসক চাপের মুখে সবটা বলতে পারছেন না।”

এরপরই আসরে নেমেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মৃত্যুকে ‘দুঃখজনক’ আখ্যা দিয়ে মমতা জানিয়েছেন, তিনি সুজন চক্রবর্তীকে ফোন করেছিলেন। এবং সবরকমভাবে মইদুলের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে সেই বামেদের বিরুদ্ধে কিছু প্রশ্নও তুলে দিয়েছেন মমতা। এদিন তিনি বলেন, “সব মৃত্যুই দুঃখজনক। সুজন চক্রবর্তীকে আমি সকালে ফোন করেছিলাম। বলেছি এটা দুঃখজনক। কীভাবে মারা গেল সেটা ময়নাতদন্তের পর বোঝা যাবে। তারা পুলিশকে কোনও অভিযোগ জানায়নি। তাঁদের বাড়ির লোককেও জানানো হয়নি দু’দিন আগে।” তবে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “এর তিনদিন আগে যে ছেলেটা ভর্তি হল তাঁদের বাড়ির লোককে জানানো হবে না? পুলিশকে জানানো হবে না?”

এরপরই আশ্বাসের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আমি সুজন চক্রবর্তীকে বলেছি। যেভাবেই মারা যাক, ওঁদের গরিব পরিবার। আমি আর্থিক সাহায্য বা পরিবারকে চাকরি দিতে তৈরি।” একইসঙ্গে এই মৃত্যুর প্রকৃত তদন্ত দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অন্যদিকে, আজ‌ই নিজেদের কর্মীর মৃত্যুর বিরুদ্ধে সরব হয়ে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন ডিওয়াইএফআই কর্মীরা। সোমবার বিকেলে ডিওয়াইএফআই দফতরে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাধে দলীয় কর্মীদের।

error: