বেতন মামলায় ডিএমই এর কোনো ভূমিকা নেই, যা বলা হচ্ছে তা অগ্রহণযোগ্য : আবু সোহেল


বিবি নিউজ ৩৬৫ ডেস্ক: বেতন মামলায় ডিএমই এর কোনো ভূমিকা নেই তথ্য দিয়ে জানালেন প্রখ্যাত আইনজীবী আবু সোহেল। একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে লেখা হয়েছে-ম্যানেজিং কমিটি ডকুমেন্টস না দেখালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে বলতে যেয়ে উক্ত পত্রিকায় লেখা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ ছিল সরকারি গাইডলাইনে। শিক্ষকদের ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশনে ৯৯% অনুপস্থিত ছিল। পত্রিকায় বলা হয়েছে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই কথা গুলোর প্রতি লাইনের উত্তর দিলেই আবু সোহেল।

আইনজীবী আবু সোহেল বলেন- মাদ্রাসা গুলোর উপযুক্ত পেপারস তথ্য আছে বলেই আদালত বারবার বেতনের নির্দেশ দিয়েছে। যদি কোনো অসুবিধা থাকত তাহলে দীর্ঘদিন মামলায় একটা মাদ্রাসাকেও আদালতে ভুল প্রমাণিত করতে কেন পারলেন না। আসুন আদালতে বলুন। আর এই মামলায় আবিদ সাহেব এর কোনো ভূমিকা নেই। উনি এই মামলার কেও নন ওনাকে পার্টি করা হয়নি। উনি কিভাবে ডকুমেন্টস ভেরিফাই করার কথা বলেন? আদালত তো ওনার উপরে দায়িত্ব দেয়নি।

বিজ্ঞাপন দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে গাইডলাইনে আছে। ওই প্রসঙ্গে তিনি বলেন- আবিদ সাহেব বিজ্ঞাপন দেওয়ার যে কথা বলছেন তার ভিত্তি নেই। উনিই বিজ্ঞাপন না দেওয়া মাদ্রাসার ক্যান্ডিডেটদের জামাই আদর করে বেতন ছেড়েছেন। যেমন হাওড়ার রংমহল হাই মাদ্রাসা ও বীরভূমের মেটেকোনা হাই মাদ্রাসায়। কই তখন তো আবিদ সাহেব বিজ্ঞাপন চাইনি।

ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশনে ৯৯% শিক্ষক হাজির হয়নি। এ নিয়ে তিনি বলেন- ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশনের অথোরিটির ডিএমই নয়, ডিআই এডিআই তাই আমরা যাইনি। প্রতিবার চিঠির আমরা আইনিভাবে উত্তর দিয়েছি। যদি শিক্ষকরা না যেয়ে থাকে উনি কেন ব্যবস্থা নিলেন না? আসলে ওনার তা করার এখতিয়ার নেই।

আবু সোহেল পরিস্কার ভাবে ডিএমই এর এই মামলায় কোনো যোগসূত্র নেই বলে জানালেন এবং এই নিউজের রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে করা হয়েছে বলে মনে করেন।

এদিকে বেতন না দেওয়ার জন্য অতি সক্রিয়তায় আদালত যারপরনাই ক্ষুব্ধ আবিদ সাহেবের উপরে। নিয়োগ নিয়ে বেতন সংক্রান্ত হেয়ারিং এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নবান্নকে। ঠুটোঁ জগন্নাথ করে রাখা হয়েছে তাকে। কলকাতা হাইকোর্ট কয়েকটি মাদ্রাসার বেতন ছাড়ার জন্য সিংগেল বেঞ্চ নির্দেশ দেয় যেমন উত্তর দিনাজপুর হাড়ভাংগা মাদ্রাসা। আবিদ সাহেব মাদ্রাসা গুলোর বিরুদ্ধে মামলা করে দেন ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মাদ্রাসা গুলোর মামলায় এক হেয়ারিংতেই হেরে যান আবিদ সাহেব। আদালত হেয়ারিং এর নির্দেশ দেয় নবান্নকে। ফলে বেতন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আবিদ সাহেবের আর ভূমিকা রইল না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন- আবিদ সাহেব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে হুমকি দিচ্ছেন যা আদালত অবমাননার সামিল।

error: দয়া করে কপি করবেন না।