“স্কেল আপগ্রেড” M.M মাদ্রাসা শিক্ষকদের একাংশের, ট্রান্সফারে দুই কুল যাওয়ার সম্ভবনা



বিবি নিউজ ৩৬৫ডেস্কঃ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের ট্রান্সফারে জটিলতার সম্মুখীন M.M মাদ্রাসা শিক্ষকদের একাংশ। বিতর্কিত একটি নোটিফিকেশনের উপরে ভিত্তি করে পাস স্কেলে জয়েন্ট করেও মাস্টার ডিগ্রি স্কেল নিয়েছেন অনেকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিআই রা পাস থেকে মাস্টার ডিগ্রি দিয়েছেন। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে কনসিডার অর্ডার নিয়েও অনেকে স্কেল পেয়েছেন। বর্তমানে এই M.M মামলা কলকাতা হাইকোর্ট এর ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। কলকাতা হাইকোর্ট এর মহামান্য বিচারক প্রতীক প্রকাশ ব্যানার্জি এমএম মামলার শেষ নির্দেশে স্কেল কে অবৈধ বলেছেন। সেই অর্ডারকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা পেইন্ডিং আছে।

ডিরেক্টর অফ মাদ্রাসা এডুকেশন বারবার এই স্কেল অবৈধ বলে জানিয়েছে। যদিও আইনজীবীদের একাংশ মনে করেন মাস্টার ডিগ্রি স্কেল সম্পুর্ণ বৈধ।

বাম আমলের শেষ দিকে মাদ্রাসার শিক্ষকদের ট্রান্সফার নিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। তখন ২০০৮ ও ২০০৯ সালে নিযুক্ত শিক্ষকরা পাস ক্যাটাগরিতে আবেদন জানান। পরে স্কেল আপগ্রেড হয়। কমিশনে অনেকে অনার্স পিজি স্কেলে ট্রান্সফার চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু কমিশন পরিস্কার জানিয়ে দেয় রিকমেন্ড যার উপরে হয়েছিল সেই স্কেলেই ট্রান্সফার নিতে হবে। ফলে বহু শিক্ষক ট্রান্সফার নিয়ে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন।

অনেকে আনার্স পিজি স্কেল নিচ্ছেন, তারপরও পাশ ক্যাটাগরিতে ট্রান্সফার নিতে চাইছেন ফলে তাদের দুই কূল যাওয়ার সম্ভবনা। কেননা অন্য মাদ্রাসায় জয়েন্ট করতে গেলে তার LPC বা লাস্ট পে সার্টিফিকেট প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে দুই স্কুলেই দুই স্কেল সমস্যায় পড়ার জন্য যথেষ্ট বলেই মনে করছেন বিশিষ্ট শিক্ষক মহল। অনেক মাদ্রাসার শিক্ষক কলকাতা হাইকোর্ট এ এই স্কেলের মামলার সাথে যুক্ত আছেন। ফলে যে মাদ্রাসায় কাজ করেন সে মাদ্রাসা নো- লিটিগেশন সার্টিফিকেট দিতে পারবে না। মামলা না মিটলে ট্রান্সফার নেওয়া অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রায় এক দশক পরেও সুযোগ পেয়েও দুই কূল যাওয়ার সম্ভবনা M.M শিক্ষকদের একাংশের।

error: